সকল অবৈধ মোবাইলের নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে

নকল বা ক্লোন করা মোবাইল ফোনের আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুপমেন্ট আইডেন্টিটি) যাচাই শুরু হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) থেকে।

আইএমইআই যাচাইয়ের মাধ্যমে নকল মোবাইল ফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যাবে।
বিটিআরসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আগামী ১ আগস্ট থেকে নকল বা ক্লোন আইএমইআই সম্বলিত মোবাইল হ্যান্ডসেট মোবাইল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হলে পরবর্তী ন্যাশনাল ইক্যুপমেন্ট আইডেন্টি রেজিস্ট্রারের (এনইআইআর) মাধ্যমে নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে।
এ অবস্থায় মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট কেনার আগে সেটটির আইএমইআই’র সঠিকতা যাচাই করে কেনা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ক্রয় রশিদ নেওয়ার অনুরোধ করেছে বিটিআরসি।


এজন্য মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনার আগে মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর লিখে ১৬০০২ তে পাঠাতে হবে। *০৬# ডায়াল করে হ্যান্ডসেটের আইএমইআই জানা যাবে। ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বরের মাধ্যমে জানা যাবে সেটটি আসল না নকল।
বিটিআরসি জানায়, ইতোমধ্যে সম্মানিত গ্রাহক যে সব মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহার করছেন অর্থাৎ, যেগুলো ইতোমধ্যে নেটওয়ার্কে যুক্ত রয়েছে, সে সব সেট এনইআইআর চালু হলে সরাসরি ডাটাবেজে যুক্ত হবে।
বিটিআরসির একজন কর্মকর্তা জানান, চালুর জন্য দ্রুতগতিতে কাজ চলছে। এই প্রযুক্তি চালু হলে নকল হ্যান্ডসেট কালোবাজারি রোধ করা সম্ভব হবে।
ভাল লাগলে আমার ব্লগটি ঘুরে আসবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

শ্রীলঙ্কা সফরের সূচি প্রকাশ

শ্রীলঙ্কা সফরের সূচি প্রকাশ

বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়েছে বাংলাদেশ দলের। ক্রিকেটারদের সবাই এখনো দেশে ফেরেননি। ছুটিতে আছেন সবাই। এরই মধ্যে বাংলাদেশ দলের নতুন ক্রিকেট সূচি প্রকাশ হয়েছে। বাদ্য বেজে গেছে শ্রীলঙ্কা সফরের।
সোমবার শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড দুদলের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের সূচি প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এক সপ্তাহের কিছুটা বেশি সময় শ্রীলঙ্কা সফরে কাটাবে। আগামী ২৬, ২৮ ও ৩১ জুলাই খেলবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। ওই সিরিজের জন্য বাংলাদেশ দল আগামী ২৩ জুলাই শ্রীলঙ্কা যাবে। সবগুলো ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। সফর শেষে ১ আগস্ট দেশের বিমান ধরার কথা আছে ক্রিকেটারদের। সবগুলো ম্যাচই দিবারাত্রির। বিশ্বকাপ শেষে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা দেশ এবং দেশের বাইরে ছুটি কাটাচ্ছেন। দেশে ফিরে তারা শ্রীলঙ্কা সফরের অনুশীলন শুরু করবেন। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড দলের প্রধান কোচ স্টিভ রোডসকে বরখাস্ত করেছে। অন্তর্বর্তীকালীন কোচের অধীনে তাই লঙ্কা সফর করার সম্ভাবনা বেশি বাংলাদেশ দলের।
এছাড়া শ্রীলঙ্কা সফরে ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি মর্তুজা খেলবেন না বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। সাকিব আল হাসান দীর্ঘ বিশ্বকাপ যাত্রা, তার আগে আইপিএল সফর মিলিয়ে শ্রীলঙ্কা সফর থেকে বিশ্রাম চেয়েছেন। লিটন দাসের বিয়ের দিন ঠিক হয়ে আছে শ্রীলঙ্কার ঘোষিত সূচির মধ্যে। তারও তাই শ্রীলঙ্কা সফর অনিশ্চিত।

১৮ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকার মূলধন ঘাটতিতে ১০ ব্যাংক

ব্যাংক খাতে অব্যাহতভাবে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। এর প্রভাবে ব্যাংকিং খাতে বাড়ছে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ। আর ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ বেড়ে যাওয়ায় মূলধন ঘাটতিও বেড়ে যাচ্ছে। আমানতকারীদের অর্থ নিরাপদ রাখতে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে মূলধন সংরক্ষণ করতে হয় ব্যাংকগুলোকে। কিন্তু দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের ১০ ব্যাংক তা করতে পারেনি। এ ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি হয়েছে ১৮ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।


আন্তর্জাতিক নীতিমালার আলোকে ব্যাংকগুলোকে মূলধন সংরক্ষণ করতে হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যাসেল-৩ নীতিমালার আলোকে ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশ অথবা ৪০০ কোটি টাকার মধ্যে যেটি বেশি সে পরিমাণ মূলধন রাখতে হচ্ছে। কোনো ব্যাংক এ পরিমাণ অর্থ সংরক্ষণে ব্যর্থ হলে মূলধন ঘাটতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, খেলাপি ঋণের প্রভাবে মূলধন ঘাটতি মেটাতে ব্যর্থ হয়েছে ১০টি ব্যাংক। চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত এসব ব্যাংকের ১৮ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকার মূলধন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ও বিশেষায়িত খাতের ৬টি, বেসরকারি খাতের তিনটি ও বিদেশি একটি ব্যাংক রয়েছে।


বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি মূলধন ঘাটতি রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ৮ হাজার ৮৮৪ কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির ঘাটতি ছিল ৮ হাজার ৮৪৭ কোটি টাকা। ক্রিসেন্ট গ্রুপ ও অ্যাননটেক্স গ্রুপ জালিয়াতির অকুস্থল জনতা ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮৮৮ কোটি টাকা। এর আগে ডিসেম্বর শেষে ঘাটতি ছিল ৫ হাজার ৮৫৫ কোটি টাকা। হলমার্কসহ বিভিন্ন কেলেঙ্কারিতে নাম আসা সোনালী ব্যাংকের ঘাটতি গত ডিসেম্বরে ৫ হাজার ৩২০ কোটি টাকা হলেও এবারে তাদের ঘাটতি কাটিয়ে উদ্বৃত্ত রয়েছে ১৩ কোটি টাকা। এ ছাড়া ঋণের নামে অর্থ লুটে নেয়া বেসিক ব্যাংকের ঘাটতিও কিছুটা কমেছে। ব্যাংকটির বর্তমান ঘাটতি ২৩৬ কোটি টাকা।
গত ডিসেম্বরে ব্যাংকটির ঘাটতি ছিল ৩ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা। তবে রূপালী ব্যাংকের গত ডিসেম্বর শেষে ২০ কোটি টাকা উদ্বৃত্ত থাকলেও মার্চে এসে ঘাটতি রয়েছে ১৫৪ কোটি টাকা। রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক ১ হাজার ৫৪ কোটি টাকা ঘাটতি বেড়েছে। গত ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির ঘাটতি ছিল ৮৮৩ কোটি টাকা। রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ঘাটতি হয়েছে ৭৩৪ কোটি। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের ১ হাজার ৫৬৯ কোটি, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ৪৩৪ কোটি, এবি ব্যাংকের ৩৭৬ কোটি ও বিদেশি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের ঘাটতি হয়েছে ৫৪ কোটি টাকা।


নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের জোগান দেয়া অর্থ ও মুনাফার একটি অংশ মূলধন হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। কোনো ব্যাংক মূলধনে ঘাটতি রেখে তার শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে পারে না। সমপ্রতি দেশের ব্যাংকিং খাতের সুদ অনেক কমেছে। খেলাপি গ্রাহকরা ব্যাংক থেকে পাচ্ছেন সহজ শর্তে ঋণ পুনঃতফসিল, ঋণের বাড়তি মেয়াদের সুযোগ পাচ্ছেন। তবে সেসব সুবিধা পাওয়ার পরও কমেনি খেলাপি ঋণ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি বছরের মার্চ শেষে দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকা, যা বিতরণকৃত ঋণের ১১ দশমিক ৮৭ শতাংশ। গত ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ছিল ৮৮ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা। খেলাপি ঋণ বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই মূলধন ঘাটতি বাড়ে। ১০টি ব্যাংকের বিপুল অঙ্কের মূলধন ঘাটতি থাকলেও কিছু ব্যাংক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি রাখতে সক্ষম হয়েছে। সব মিলিয়ে পুরো খাতে ১১ হাজার ৭৬৬ কোটি টাকার মূলধন ঘাটতি রয়েছে। গত বছর একই সময়ে ২৩ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকার মূলধন ঘাটতি ছিল।


এদিকে, সংশোধিত ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, বছরের পর বছর কোনো ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি থাকতে পারবে না। আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক একটি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত মেনে নেবে। ২ বছরের পর মূলধন ঘাটতি হলে ওই ব্যাংককে হয় মার্জার অর্থাৎ অন্য কোনো ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হয়ে যেতে হবে, অথবা বন্ধ হয়ে যাবে। এ কারণে কোনো ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি হলে, তাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে কীভাবে মূলধন ঘাটতি পূরণ করবে তার পরিকল্পনা জমা দিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সময়ে সময়ে তা মনিটরিং করবে। এভাবে দুই বছর পর আইন অনুযায়ী ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকিং খাতে মূলধন ঘাটতি বেড়ে যাওয়া মোটেও ভালো লক্ষণ নয়। এটা সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতাই ফুটে উঠেছে। এর ফলে শুধু ব্যাংকিং খাতে নয়, পুরো অর্থনীতিতেই বিপর্যয় নেমে আসবে। বিদেশি বিনিয়োগেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে ঘাটতির মুখে পড়া ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বিদেশি ব্যাংকগুলো লেনদেন করতে আস্থার সঙ্কট দেখা দেয়। এতে পণ্য আমদানি-রফতানিতে গ্যারান্টি হিসেবে তাদের বাড়তি ফি দিতে হয়, যার প্রভাবে ব্যবসা ব্যয় বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর দুর্নীতি ও লুটপাটের দায় জনগণের ঘাড়েও চাপানো হচ্ছে। কেননা, দুর্নীতির দায় মেটানো হচ্ছে জনগণের অর্থ দিয়ে।


এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, খেলাপি ঋণ বাড়লে মূলধন ঘাটতি বাড়বেই। রাষ্ট্রীয় মালিকানার অনেক ব্যাংক বিনিয়োগের গুণগত মান যাচাই-বাছাই না করেই নানান প্রেক্ষাপটের কারণে ঋণ বিতরণ করেছে। যা পরবর্তীতে ব্যাংকের জন্য বোঝা হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে রূপান্তরিত হয়েছে। ফলে ব্যাংকের সংরক্ষিত মূলধন ঘাটতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তিনি আরো বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে প্রতি বছর অর্থ বরাদ্দ না দিয়ে খেলাপি ঋণ আদায়ে আরো কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেয়া উচিত।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর সোনালী ব্যাংকের হলমার্ক, বেসিক এবং জনতা ব্যাংকসহ বড় বড় ঋণ কেলেঙ্কারি হয়েছে। ওই সব ঋণ আদায় না হওয়ায় ব্যাংকের খাতায় মন্দঋণ হিসেবে দেখা দিয়েছে। কিন্তু এসব মন্দঋণ আদায় না হওয়ায় ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ বেড়ে গেছে। এ সম্পদের বিপরীতে মূলধন সংরক্ষণ করতে পারছে না ব্যাংকগুলো।
অন্যদিকে, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ অবকাঠামো সুবিধার অভাব, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় ব্যবসাবাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে। এর ফলে ব্যবসায়ীরা ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না। এতে বেড়ে গেছে ব্যাংকের খেলাপি ঋণ। খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ার অর্থই হলো ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ বেড়ে যাওয়া।

শীর্ষে যাওয়ার লড়াইে ভারত

 

দ্বাদশ বিশ্বকাপের আজকের ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে উপমহাদেশের দুই দেশ শ্রীলঙ্কা ও ভারত। শ্রীলঙ্কার শেষ চারে উঠার আশা শেষ হয়ে গেছে। অন্যদিকে ইতোমধ্যেই সেমির টিকেট পেয়েছে বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন ভারত। এই ম্যাচটি তাই কেবলই নিয়মরক্ষার। তবে নিয়মরক্ষার এই ম্যাচে দুদলের পাওয়ার আছে অনেক কিছু। লঙ্কানদের হারালে গ্রুপসেরা হয়ে লিগ পর্ব শেষ করতে পারবে রবি শাস্ত্রীর শিষ্যরা। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কার লক্ষ্য থাকবে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শেষ করা। ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার এই ম্যাচটির ভেন্যু লিডসের হেডিংলে স্টেডিয়াম।




হট ফেভারিট হিসেবেই এবারের বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে ভারত। সে প্রমাণ এরমধ্যেই দিয়েছে কোহলির নেতৃত্বাধীন দলটি। লিগ পর্বে তাদের একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। এ ছাড়া অবশিষ্ট ৭ ম্যাচের ৬টিতেই জিতেছে র‌্যাঙ্কিংয়ের দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারত। হেরেছে কেবল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। পয়েন্ট টেবিলে কোহলির দলের অবস্থান দুই নম্বরে। তাদের পয়েন্ট ৮ ম্যাচে ১৩। সমানসংখ্যক ম্যাচে ভারতের চেয়ে ১ পয়েন্ট বেশি নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে ডিপেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া।
বিরাট কোহলির লক্ষ্য ধারাবাহিকতা ধরে রেখে আজকের ম্যাচেও জয় তুলে নেয়া। এ বিষয়ে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্যটা অনেক বড়। শিরোপা জিততে চাই আমরা। তবে আপাতত আমরা চাই পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে লিগ পর্ব শেষ করতে। এ জন্য লঙ্কানদের বিপক্ষে জয় পেতে হবে। এ ছাড়া জিতলে আত্মবিশ্বাস বাড়বে। সেমির আগে এটা খুব জরুরি। অন্যদিকে




ইতোমধ্যেই শেষ চারের স্বপ্ন ভেঙে যাওয়া শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে চান জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শেষ করতে। তার ভাষায়, আমরা ফেভারিটের তালিকায় ছিলাম না। তবে বেশ কয়েকটি বড় দলকে হারিয়েছি। আমার দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়ই তরুণ। আমরা চাই জয় দিয়ে বিশ^কাপ অভিযান শেষ করতে। শক্তিমত্তায় ভারত এগিয়ে। তবে আমাদের দলেও ম্যাচ উইনিং ক্রিকেটার রয়েছে।
শ্রীলঙ্কার দুটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। যার একটিতে প্রতিপক্ষ ছিল বাংলাদেশ এবং অন্যটিতে পাকিস্তান। এ ছাড়া অবশিষ্ট ৬ ম্যাচের ৩টিতে জিতেছে তারা। করুনারতে্নর দল হারিয়েছে আফগানিস্তান, ইংল্যান্ড ও উইন্ডিজকে। তাদের পয়েন্ট ৮ ম্যাচে ৮।
শ্রীলঙ্কা ও ভারত এ পর্যন্ত ১৫৮টি ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে। এরমধ্যে লঙ্কানদের ৫৬ জয়ের বিপরীতে ভারতীয়রা জিতেছে ৯০টি ম্যাচ। এ ছাড়া ৩টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। আর টাই হয়েছে ১টি ম্যাচ। বিশ্বকাপে দুদল ৮ বার মুখোমুখি হয়েছে। এরমধ্যে শ্রীলঙ্কা জিতেছে ৪টি ম্যাচে। আর ভারতের নামের পাশে আছে ৩ জয়। এ ছাড়া ১টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে।




র‌্যাঙ্কিংয়ে দুদলের মধ্যে বিস্তর ফাঁরাক রয়েছে। ভারতের অবস্থান যেখানে র‌্যাঙ্কিংয়ের ২ নম্বরে সেখানে অষ্টম স্থানে রয়েছে লঙ্কানরা।

প্রিয়াঙ্কা কেন কাঁদলেন?

 

বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার ভাসুর জো জোনাস সম্প্রতি বিয়ে করেছেন। এটা তার দ্বিতীয় বিয়ে। ফ্রান্সে বেশ উৎসবমুখর পরিবেশে এই বিয়ে হয়। পাত্রী গেম অব থ্রোনসের অভিনেত্রী সোফি টার্নার। অনুষ্ঠানস্থলে গোলাপি রঙের শাড়ি ও মুক্তার গয়না পরে হাজির হয়েছিলেন অভিনেত্রী। সেখানে কেঁদে চোখ ভাসালেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার



বেশ কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায় চোখের জল সামলাতে না পেরে দুই হাতের আঙুল দিয়ে তা মুছে ফেলছেন। তবে অন্যের বিয়ের অনুষ্ঠানে তো খুশির থাকার কথা, কিন্তু সেখানে কাঁদছেন কেন প্রিয়াঙ্কা? এই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে অনেকের মনে।
কেউ কেউ বলছেন হয়তো নিজের বিয়ের স্মৃতি মনে পড়েছে তার। আবার কেউবা বলছেন, অভিনেত্রী সুখে নেই তাই বিয়ে দেখলেই কাঁদছেন। আর প্রিয়াঙ্কা ভক্ত অনেকেই বলছেন



নারী মন বলে কথা। জানা যায়, জো জোনাস ও সোফি টার্নার ২০১৭ সালে ভালোভাবে সম্পর্কে জড়ায়। গত মাসে লাস ভেগাসে গির্জায় রীতি মেনে বিয়ে করছেন। তবে সময় নিয়ে আনুষ্ঠানিক বিয়ের কাজ সারবেন।

বাড়ল গ্যাসের দাম

বাড়ল গ্যাসের দাম: এক চুলা ৯২৫ টাকা ও দুই চুলা ৯৭৫

আবারও বাড়ানো হয়েছে গ্যাসের দাম। নতুন দামে ৩২.৮ শতাংশ বেড়েছে গ্যাসের দাম। ফলে গ্রাহকদের আগের চেয়ে প্রায় এক তৃতীয়াংশ বেশি মূল্য পরিশোধ করে গ্যাস ব্যবহার করতে হবে। সোমবার থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
রোববার বিকাল ৪টায় সংবাদ সম্মেলনে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এ সময় কমিশনের চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলামসহ অন্যান্য কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করে এক চুলা ৯২৫ টাকা ও দুই চুলা ৯৭৫ টাকা করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের ফলে ৩২.৮ শতাংশ গ্যাসের দাম বাড়ানো হলো।
এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে বিইআরসিতে বিতরণ কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে গ্যাসের দাম গড়ে ১০২ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়। বাসাবাড়িতে এক চুলার বর্তমান দর ৭৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫০ টাকা এবং দুই চুলার জন্য ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪৪০ টাকা করার আবেদন করা হয়েছে।
একই সঙ্গে বিদ্যুৎ, সিএনজি, সার, ক্যাপটিভ পাওয়ার, শিল্প-বাণিজ্যসহ সব খাতে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। এ নিয়ে গত মার্চে গণশুনানির আয়োজন করা হয়। বিইআরসি আইন অনুসারে শুনানির ৯০ দিনের মধ্যে কমিশনকে সিদ্ধান্ত জানাতে হয়। জুনে সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে।




আইনে আরও উল্লেখ রয়েছে, কমিশন যদি মনে করে কোম্পানির কাছ থেকে আরও তথ্য নিতে হবে তাহলে সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে। তাই জুনে সময়সীমা ফুরালেও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জুলাই মাসে নেয়া হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর আগে গত বছরের জুনেও গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে গণশুনানি হয়েছে। কিন্তু সামনে জাতীয় নির্বাচন থাকায় তখন দাম বাড়ানোয় সরকারের সাড়া মেলেনি। তাই গত ১৬ অক্টোবর সরকারকে তিন হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়ার সুপারিশ করে গ্যাসের দাম না বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বিইআরসি।
জ্বালানি বিভাগের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম অনেক বেশি। আর দেশে গ্যাসের চাহিদাও বাড়ছে দিন দিন। এ হিসাবে চাহিদা অনুযায়ী এলএনজি আমদানি করতে হলে সরকারকে আরও অনেক বেশি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। কাজেই গ্যাসের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প নেই।
পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা বলেন, এতদিন আমদানি কম হওয়ায় সরকারের ওপর লোকসানের চাপ বেশি হয়নি। এছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে এলএনজি আমদানিতে সম্পূরণ শুল্ক, কাস্টমস ডিউটি ও অগ্রিম বাণিজ্য ভ্যাট প্রত্যাহার করায় গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত ছিল। আমদানি ১০০০ এমএসিএফডি ছাড়ালে দাম বাড়ানোর তোড়জোড় আরও আগে থেকেই শুরু হতো।




কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান টার্মিনাল নির্মাণের পর আগস্টে বাংলাদেশ এলএনজি যুগে প্রবেশ করে। কাতার থেকে এলএনজি আমদানি করে ওই টার্মিনালের মাধ্যমে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে দেয়া হচ্ছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে সর্বোচ্চ ১০০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার টার্গেট ছিল সরকারের। কিন্তু দাম বেশি হওয়ায় সরকার এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দিচ্ছে জাতীয় গ্রিডে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে কমিশনের এক সদস্য বলেন, তারা গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আইনি বাধ্যবাধকতা মেনে জুলাইয়ে দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসতে পারে। কমিশনের ওই সদস্য জানান, শুনানিতে পাওয়া মতামত যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিতরণ কোম্পানিগুলোর আয়-ব্যয়ের হিসাব করা হয়েছে।
দাম বাড়ানোর বিষয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম তামিম বলেন, গ্যাস খাতে লোকসান কমাতে হলে প্রথমে চুরি ঠেকাতে হবে। পাশাপাশি সাগর ও স্থলভাগে গ্যাস অনুসন্ধানের ওপর জোর দিতে হবে। দেশীয় গ্যাস পেলে কম টাকায় সরবরাহ করা যাবে। এলএনজি আমদানি করে গ্যাস-সংকট দূর করা যাবে না।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে সর্বশেষ গ্যাসের দাম গড়ে ২২ দশমিক ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়। ওই বছরের মার্চ ও জুলাই থেকে তা দুই ধাপে কার্যকর হয়।

১৭৬ কোটি মানুষকে হারাল ভারত

ইংলিশ পেসারদের জবাব ছিল না ভারতের কাছে। ছবি: রয়টার্স
ইংলিশ পেসারদের জবাব ছিল না ভারতের কাছে
                                                                                                                                                          
 
ইংল্যান্ড: ৩৩৭/৭
ভারত: ৩০৬/৫
ইংল্যান্ড ৩১ রানে জয়ী। 
                                                                                                                                                               
মাঠে খেলছিলেন বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মারা, প্রার্থনায় পুরো উপমহাদেশ! শুধু ক্রিকেট নয়, সব ধরনের খেলা মিলেই হয়তো এই প্রথম কোনো ম্যাচের ভারতের জয় কামনা করেছে পুরো উপমহাদেশ। দর্শকের ভূমিকায় থাকা বাংলাদেশ, পাকিস্তান কিংবা শ্রীলঙ্কা—সবার সেমিফাইনাল ভাগ্যই যে এ ম্যাচের ওপর নির্ভর করছে! ১৭৬ কোটি মানুষ অধ্যুষিত মানুষের প্রার্থনা কাজে আসেনি। ইংল্যান্ডের কাছে ৩১ রানে হেরে গেছে ভারত। ১৯৯২ বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের কাছে হারল ভারত।
৩৩৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জিততে হলে রেকর্ড বইয়ের বেশ কিছু পাতায় ওলট-পালট আনতে হতো বিরাট কোহলির দলকে। বিশ্বকাপে রান তাড়া করে জেতার নতুন রেকর্ড লিখতে হতো, এজবাস্টনে পাঁচ বছর পর ইংল্যান্ডকে পরাজয়ের স্বাদও দিতে হতো। কোনোটিই পারেনি এ ম্যাচের আগ পর্যন্ত টুর্নামেন্টে অপরাজিত থাকা ভারত। ৫০ ওভার শেষে থেমেছে ৫ উইকেটে ৩০৬ রানে। ফলাফল, বাংলাদেশ-পাকিস্তানের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে সেমিফাইনালের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল স্বাগতিকেরা। আর আফগানিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর চতুর্থ দল হিসেবে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে শ্রীলঙ্কার।


৪০ ওভার শেষেও মোটামুটি সমানতালেই রান তুলছিল ভারত। ডেথ ওভার শুরুর আগে ইংল্যান্ডের রান ছিল ২৪৫, ভারতের ২৩৪। পার্থক্যটা গড়ে দিয়েছে দুই দলের ডেথ ওভার বোলিং। ভারতের হয়ে যশপ্রীত বুমরা একা চেষ্টা করেছিলেন, আর ইংল্যান্ড এগিয়েছে ‘দশে মিলি করি কাজ’ নীতিতে। লিয়াম প্লাংকেট, জফরা আর্চার, আদিল রশিদ প্রত্যেকেই দুর্দান্ত বল করেছেন। কেন তাঁকে সময়ের অন্যতম প্রতিভাবান বোলার ভাবা হচ্ছে সেটি আরেকবার দেখিয়েছেন আর্চার। উইকেট পাননি একটিও, কিন্তু দারুণ নিয়ন্ত্রিত সব স্লোয়ারে বেঁধে রেখেছিলেন ভারতের রানের চাকা।
হার্দিক পান্ডিয়া-মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো হার্ডহিটার ব্যাটসম্যানদের একদমই হাত খুলতে দেননি ইংলিশ পেসাররা। একের পর এক স্লোয়ারে ঠিকমতো ব্যাটে-বলেই করতে পারছিলেন না ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। ক্রমাগত তৈরি করা চাপের কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই উইকেট দিয়ে এসেছেন পান্ডিয়া-পন্তরা। শেষ ৫ ওভারে যেখানে চার-ছয়ের ফুলঝুরি ছোটানোর কথা, সেখানে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা মারতে পেরেছেন মাত্র ৩টি চার ও একটি ছয়! শেষ ৩০ বলের মধ্যে সিঙ্গেলই নিয়েছেন ২০টি। এমন ব্যাটিং দিয়ে ম্যাচ জেতার সম্ভাবনা ছিল না কোহলিদের।


ব্যাটিংয়ে নেমেও আজ তেড়েফুঁড়ে শুরু করতে পারেনি ভারত। প্রথম ১০ ওভারে দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছেন নতুন বলের দুই বোলার ক্রিস ওকস ও জফরা আর্চার। ওকস তো ছিলেন এক কথায় দুর্দান্ত, ৫ ওভারের প্রথম স্পেলে মাত্র ৮ রানের বিনিময়ে লোকেশ রাহুলের উইকেট তুলেছেন। ভারতও ১০ ওভার শেষে তুলতে পেরেছে মাত্র ২৮ রান। এখানেই অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে ভারত। প্রথম পাওয়ারপ্লেতে ৫০ এর কাছাকাছি রান তুলতে পারলেও শেষ দিকে জমে উঠতে পারত ম্যাচটা। ইংল্যান্ডের হয়ে সেরা বোলার ছিলেন দলে ফেরা প্লাংকেট। ১০ ওভারে ৫৫ রান দিয়ে পেয়েছেন ৩ উইকেট। ওকসও ছিলেন অসাধারণ। নিজের প্রথম তিন ওভারে তো কোনো রানই নিতে দেননি ভারতকে। ১০ ওভারে ২ উইকেট পেয়েছেন, রানও দিয়েছেন মাত্র ৫৮।
ভারতকে আশা দেখাচ্ছিল রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলির দ্বিতীয় উইকেট জুটি। ২৫.৫ ওভারে ১৩৮ রান যোগ করেছিলেন দুজন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ৬৬ রান করে আউট হয়েছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম অধিনায়ক হিসেবে টানা পাঁচ ইনিংসে ফিফটি করা কোহলি। পাঁচ ফিফটির একটিকেও সেঞ্চুরিতে রূপ দিতে না পারার বিষয়টা নিশ্চিতভাবেই ভাবাবে ভারত অধিনায়ককে।


ইংল্যান্ডের হয়ে যেমন সেঞ্চুরি করেছেন জনি বেয়ারস্টো, ভারতের হয়ে সেটা করেছেন রোহিত শর্মা। ব্যক্তিগত চার রানে আর্চারের বলে জীবন পাওয়া রোহিত ফিরেছেন এ বিশ্বকাপে নিজের তৃতীয় সেঞ্চুরি করে। সাধারণত সেঞ্চুরির পরেই বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন রোহিত। তবে আজ সেটি হতে দেননি ওকস, ১০২ রানেই বাটলারের ক্যাচ বানিয়েছেন ভারতীয় ওপেনারকে।
তবে বেয়ারস্টোকে যে সমর্থন দিয়েছিলেন রয়-স্টোকস, এক কোহলি ছাড়া আর কারওর থেকেই সেটি পাননি রোহিত। ৩৩ বলে ৪৫ করে পান্ডিয়া চেষ্টা করেছিলেন বটে, তবে সেটা যথেষ্ট ছিল না মোটেও। পন্ত এবং ধোনিও চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে পারেননি। ধোনির ব্যাট থেকে ইনিংসের একমাত্র ছয়টি এসেছে একদম শেষ ওভারে, ততক্ষণে ম্যাচ ভারতের হাত থেকে বেরিয়ে গেছে। বিশ্বকাপে ১২ ম্যাচ পর গ্রুপপর্বে হারের স্বাদ পেল ভারত। সবশেষ ভারত বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে হেরেছিল ২০১১ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে।
আজকের জয়ে পাকিস্তানকে টপকে চারে চলে এসেছে ইংল্যান্ড। নিজেদের শেষ ম্যাচে (৩ জুলাই) নিউজিল্যান্ডকে হারাতে পারলেই সেমিফাইনালে চলে যাবে ইংল্যান্ড। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সে ক্ষেত্রে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাবে এক ম্যাচ হাতে রেখেই।


জালনোট তৈরির প্রশিক্ষণ 'ইউটিউবে'

 
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে জালনোট তৈরির সরঞ্জামাসহ পুলিশ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে, যারা ইউটিউব থেকে এই বিদ্যা রপ্ত করেছেন বলে জানিয়েছেন।

এরা হলেন উপজেলার কুয়াতপুর গ্রামের শ্রী লাল মোহনের ছেলে সঞ্জয় কুমার (২৪) ও পাঁচবিবি মধ্য মালঞ্চা গ্রামের আতোয়ার হোসেনের ছেলে নাদিম হোসেন (১৯)।


মঙ্গলবার বিকালে পাঁচবিবি উপজেলা শহরের একটি ভাড়া বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।

পাঁচবিবি থানর ওসি বজলার রহমান জানান, আটক যুবকরা উপজেলার মালঞ্চা গ্রামের একটি ভাড়া বাড়িতে দীর্ঘদিন থেকে জালনোট তৈরি করে আসছিলেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।


“এ সময় তাদের কাছে থাকা নকল ৬৫টি ৫০ টাকার নোট, অর্ধ-নির্মিত ৫০০টি ৫০ টাকার নোট, একটি কম্পিউটার, পিসি, প্রিন্টারসহ জালনোট তৈরির নানা সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।”

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা ইউটিউবের মাধ্যমে জাল টাকার নোট তৈরির প্রযুক্তি রপ্ত করার কথা বলেছেন বলেও জানান ওসি।

বিশ্বকাপে নতুন রেকর্ড


এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে ধারাবাহিক ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চের ব্যাট। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের তালিকায় প্রথম দুই অবস্থানই তাদের। এবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নেমে বিশ্বকাপে নতুন রেকর্ড গড়লেন এই দুই অজি ওপেনার। এই ম্যাচে দুজনের জুটি থেকে এসেছে ১২৩ রান। এই নিয়ে চলতি বিশ্বকাপের পাঁচ ম্যাচে পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের বেশি জুটি এলো তাদের ব্যাট থেকে, এমন রেকর্ড নেই অন্য কোনো জুটির।


এর আগে ১৯৮৩ সালে ইংল্যান্ডের ক্রিস ট্যাভার ও গ্রায়েম ফোলার চার ম্যাচে প্রথম এই রেকর্ড গড়েন। এরপর ১৯৮৭ ও ১৯৯২ বিশ্বকাপ মিলে চার ম্যাচে এই রেকর্ডে নাম লেখান অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড বুন ও জিওফ মার্শ জুটি।
১৯৯৬ বিশ্বকাপেও একই কীর্তি গড়েন পাকিস্তানের আমির সোহেল ও সাঈদ আনোয়ার জুটি। এরপর ২০০৩ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও ম্যাথু হেইডেন জুটিও এই রেকর্ডে নাম লেখান।

হুয়াওয়ের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চায় গুগল





হুয়াওয়ের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চায় গুগল

হুয়াওয়ের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে সার্চ জায়ান্ট গুগল। এছাড়া নিষেধাজ্ঞার এ সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি বলেও মনে করে প্রতিষ্ঠানটি।
বিষয়গুলো নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেছে গুগল। মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি প্রশাসনকে অনুরোধ করেছে, হুয়াওয়েকে যেন নিষিদ্ধ করা না হয়। যদি তাই হয় তবে গুগলের প্রযুক্তি ব্যবসাতেও তার বড় ধরনের আঁচ লাগতে পারে। এমনকি সেটিই জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে।
শুক্রবার প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট এআরএস টেকনিকা এমন খবর দিয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা আইএএনএস।
গুগল মার্কিন সরকারকে এটা বোঝাতে চায় যে, যদি হুয়াওয়েকে নিষিদ্ধ করা হয়, তবে তারা যে অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করবে তাতে করে বরং মার্কিন একটি কোম্পানির অপারেটিং সিস্টেমের একচেটিয়ার ইতি ঘটতে পারে। যা মার্কিন প্রসাশনের জন্যও খুুব একটা ভালো হবে না বলে বলছে গুগল।
খবরে বলা হচ্ছে, গুগল চাইছে হুয়াওয়ে যেন তাদের অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েডের ওপরেই নির্ভরশীল থাকে। সেটাই মার্কিন প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো হবে।
যেহেতু এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি স্মার্টফোন তৈরির দেশ হিসেবে পরিচিত চীন, তাই তারা তাদের ব্র্যান্ডগুলোতে আন্তর্জাতিক এবং চীনা অ্যাপ ব্যবহারের সংস্করণ রাখে। যেটাতে এক সংস্করণে শুধু আন্তর্জাতিক অ্যাপ, অন্যটায় বেইজিং-কেন্দ্রিক অ্যাপ থাকে।
সার্চ জায়ান্টটি যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনকে বলেছে, অ্যান্ড্রয়েড এমন কিছু লেবেলে ডিভাইসের জন্য সিকিউরিটি আপডেট দেয়, সেখানে যদি এমন অবস্থা চলতে থাকে তবে ব্যবসায়িক চুক্তি ভেঙে যাবে। ফলে অনেক ডিভাইস সেই আপডেট থেকে বঞ্চিত হবে।
এর আগে গত ১৫ মে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্ত করার আদেশ দেন। পরে গুগলের সঙ্গে ব্যবসায়িক চুক্তি বাতিল হয়ে যায়। ফলে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারের ওপর কিছুটা কড়াকড়ি আসে। সেই সময়ের মধ্যেই অবশ্য হুয়াওয়ে নিজেদের নতুন অপারেটিং সিস্টেম আনার ঘোষণা দেয়।